বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী | সাংগঠনিক জনশক্তির স্তরসমূহ
Sarwer BD
0:00 / 0:00
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী | সাংগঠনিক জনশক্তির স্তরসমূহ
34 просмотра · 1 день назад
Sarwer BD
11 подписчиков
34 просмотра · 1 день назад
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক জনশক্তির স্তরসমূহ:
সমর্থক
সহযোগী সদস্য
কর্মী
সদস্য (রুকন)
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রকাশিত “সংগঠন পদ্ধতি” অনুযায়ী, সাংগঠনিক জনশক্তি কার্যত তিন স্তরে বিভক্ত—সহযোগী সদস্য, কর্মী এবং সদস্য (রুকন)।
গঠনতন্ত্রে অবশ্য জনশক্তিকে মূলত সহযোগী সদস্য ও সদস্য (রুকন)—এই দুই ভাগে উল্লেখ করা হয়েছে।
১. সহযোগী সদস্য
সহযোগী সদস্য হলো সংগঠনের প্রাথমিক স্তরের জনশক্তি।
সংগঠনের প্রকাশিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, যে ব্যক্তি জামায়াতের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সঙ্গে একমত, সংগঠনের দাওয়াত গ্রহণ করেন এবং কর্মসূচি বাস্তবায়নে আগ্রহী হন, তিনি সহযোগী সদস্য হতে পারেন। বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক সংগঠনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ও কর্মসূচির সঙ্গে একমত হলে সহযোগী সদস্য হতে পারেন।
সহজভাবে:
সহযোগী সদস্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন এবং এর লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন, কিন্তু এখনো পূর্ণাঙ্গ সাংগঠনিক দায়িত্বের স্তরে পৌঁছাননি।
২. কর্মী
কর্মী হলো সক্রিয় ও নিয়মিত সাংগঠনিক জনশক্তি।
প্রকাশিত সংগঠন পদ্ধতিতে বলা হয়েছে, সহযোগী সদস্যদের মধ্য থেকে যারা নিয়মিত বৈঠকে অংশ নেন, সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেন, রিপোর্ট প্রদান করেন, দাওয়াতি ও সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করেন, তাদের কর্মী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পাশাপাশি ইসলামী জ্ঞান অর্জন, ইসলামী অনুশাসন পালন, সাংগঠনিক নিয়ম-শৃঙ্খলা মানা, সততা, দায়িত্ববোধ ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করার বিষয়গুলো কর্মীর গুণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সহজভাবে:
সহযোগী সদস্য যেখানে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি, কর্মী সেখানে নিয়মিতভাবে সংগঠনের কাজ করেন এমন সক্রিয় জনশক্তি।
৩. সদস্য (রুকন)
সদস্য (রুকন) হলো সাংগঠনিক জনশক্তির সর্বোচ্চ ও মূল স্তর।
সংগঠন পদ্ধতি অনুযায়ী, নির্ধারিত শর্ত ও নিয়ম পূরণ করে একজন কর্মী সদস্য (রুকন) হতে পারেন। রুকনদেরকেই সংগঠনের মূল জনশক্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। নেতৃত্ব নির্বাচন, নীতি নির্ধারণ, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমের তদারকিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
রুকন হওয়ার ক্ষেত্রে শুধু সংগঠনের প্রতি আনুগত্যই নয়; ব্যক্তিগত আমল-আখলাক, ইসলামী অনুশাসন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ, সততা ও সংগঠনের নীতিমালা অনুসরণের মতো বিষয়গুলোও গুরুত্ব পায়।
সহজভাবে:
রুকন হলেন এমন জনশক্তি যিনি সংগঠনের লক্ষ্যকে নিজের জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে দায়িত্বশীল ও দীর্ঘমেয়াদি সাংগঠনিক ভূমিকা পালনের জন্য প্রস্তুত।
এক নজরে
সহযোগী সদস্য লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের সঙ্গে একমত ও সংগঠনের সঙ্গে প্রাথমিকভাবে যুক্ত
কর্মী নিয়মিত বৈঠক, দাওয়াতি, সামাজিক ও সাংগঠনিক কাজে সক্রিয়
সদস্য (রুকন) সংগঠনের মূল জনশক্তি; নেতৃত্ব, নীতি ও সাংগঠনিক দায়িত্বে ভূমিকা রাখেন
জামায়াত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: https://bjilibrary.com/
গঠনতন্ত্র: https://bjilibrary.com/5400
সংগঠন পদ্ধতি: https://bjilibrary.com/5405