নেত্রকোনার বিরিশিরি, যেখানে সাদা মাটির পাহাড়, সবুজ পানির লেক আর সোমেশ্বরী নদীর অপূর্ব মিলন
Emons travel diary
0:00 / 0:00
নেত্রকোনার বিরিশিরি, যেখানে সাদা মাটির পাহাড়, সবুজ পানির লেক আর সোমেশ্বরী নদীর অপূর্ব মিলন
950 просмотров · 11 дней назад
Emons travel diary
573 подписчика
950 просмотров · 11 дней назад
দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় ৭ কিমি দূরে কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বিজয়পুরে এটি অবস্থিত । পাহাড় ও সমভূমিসহ এই খনিজ অঞ্চলটি প্রায় ১৫.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৬০০ মিটার প্রস্থ । চীনামাটি বা ক্যাওলিন উত্তোলনের ফলে পাহাড়ের মাঝে ছোট-বড় গভীর গর্ত বা কোয়ারি তৈরি হয়েছে, যা বৃষ্টির পানিতে জমে চমৎকার নীল ও ফিরোজা রঙের লেকে পরিণত হয়েছে । পাহাড়ের মাটি কোথাও শুভ্র সাদা, কোথাও আবার গোলাপি, বেগুনি বা হালকা লালচে ছোপযুক্তI
ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে বয়ে আসা সোমেশ্বরী নদীটি তার স্বচ্ছ পানি এবং ধবধবে সাদা বালুচরের জন্য অনন্য । শীতকালে এই নদীর তলদেশ স্পষ্ট দেখা যায় এবং এখান থেকে স্থানীয়ভাবে পাথর ও কয়লা তোলার দৃশ্য চোখে পড়েI
ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে নেত্রকোনা বা ময়মনসিংহ হয়ে দুর্গাপুরে পৌঁছানো যায়। সবচেয়ে সুবিধাজনক মাধ্যম হলো ঢাকার কমলাপুর থেকে ট্রেনে জারিয়া ঝাঞ্জাইল স্টেশনে নেমে সেখান থেকে স্থানীয় মোটরসাইকেল, অটো বা সিএনজি যোগে বিরিশিরি বা বিজয়পুর যাওয়া।
বিরিশিরি ভ্রমণের জন্য শীতকাল (নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি) সবচেয়ে উপযুক্ত। এই সময়ে সোমেশ্বরী নদীর পানি শান্ত ও স্বচ্ছ থাকে এবং লেকের নীল রঙ সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায়। তবে বর্ষার ঠিক পর পর (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) চারপাশের প্রকৃতি থাকে ভীষণ সবুজ ও সতেজ I
এখানে থাকার জন্য YMCA গেস্ট হাউস, বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি গেস্ট হাউস কিংবা সোমেশ্বরী নদীর কাছাকাছি কিছু স্থানীয় মাঝারি মানের হোটেল ও রিসোর্ট রয়েছে।
সাধারণ বাঙালি খাবার ও স্থানীয় হোটেলগুলোতে তাজা নদীর মাছ পাওয়া যায়। তবে দুর্গাপুরে গেলে ওখানকার বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি "বালিশ মিষ্টি" চেখে দেখতে ভুলবেন না