Перейти к содержимому

West Bengal News Today | ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab) | BREAKING NEWS | CYCLONE UPDATE

সময় কথা

0:00 / 0:00

West Bengal News Today | ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab) | BREAKING NEWS | CYCLONE UPDATE

45 782 просмотра · Трансляция закончилась 1 дн. назад
সময় কথা
8,92 тыс. подписчиков
45 782 просмотра · Трансляция закончилась 1 дн. назад
ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ (Cyclone Arnab) বর্তমানে বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে একটি অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে (Very Severe Cyclonic Storm) পরিণত হয়েছে। বর্তমান অবস্থান ও ল্যান্ডফল আপডেট তীব্রতা: পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত এই ঘূর্ণিঝড়টি দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করেছে। ল্যান্ডফলের স্থান ও সময়: ভারতের মৌসম ভবন (IMD)-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি বুধবার (২৮ অক্টোবর) অন্ধ্রপ্রদেশের বাপতলা ও বিশাখাপত্তনমের মধ্যবর্তী ইয়ানাম উপকূলের কাছে স্থলভাগে আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। ঝড়ের গতিবেগ: ল্যান্ডফলের সময় উপকূলীয় এলাকায় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার হতে পারে, যা দমকা হাওয়ার আকারে সর্বোচ্চ ১৪০ থেকে ১৫০ কিলোমিটারে পৌঁছাতে পারে। অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশার উপকূলে ইতিমধ্যেই লাল সতর্কতা (Red Alert) জারি করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে প্রভাব ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি ল্যান্ডফল পশ্চিমবঙ্গে না হলেও, স্থলভাগে প্রবেশের পর এটি উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নেবে। ফলে এর পরোক্ষ প্রভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া তৈরি হবে: ভারী বৃষ্টির সতর্কতা: দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলা—পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও ঝাড়গ্রামে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি ও দমকা বাতাস বওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানেও বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে। ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ: উপকূলের জেলাগুলিতে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। কলকাতায় দমকা বাতাসের গতিবেগ হতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিমি। উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি: বৃহস্পতি ও শুক্রবার নাগাদ উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কা রয়েছে। সতর্কতা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি মৎস্যজীবীদের নিষেধাজ্ঞা: সমুদ্র উত্তাল থাকার কারণে বঙ্গোপসাগরের গভীরে মৎস্যজীবীদের যাতায়াত পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপকূলবর্তী এলাকায় পাহারা: দিঘা, বকখালি, মন্দারমণি এবং সুন্দরবনের নদীবাঁধ এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে ও মাইকিং চলছে। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। জরুরি পরিষেবা: সম্ভাব্য জমা জল ও ভেঙে পড়া গাছ দ্রুত অপসারণের জন্য এনডিআরএফ (NDRF) এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী প্রস্তুত রাখা হয়েছে।