মুখের সিস্ট কী?কেন হয়?করনীয় কী?
Oral Health With Dr.Sharmeen Zaman
0:00 / 0:00
মুখের সিস্ট কী?কেন হয়?করনীয় কী?
109 436 просмотров · 4 года назад
Oral Health With Dr.Sharmeen Zaman
64,5 тыс. подписчиков
109 436 просмотров · 4 года назад
মুখের সিস্ট হতে পারে বিপদজনক। যদি সঠিক সময়ে এটা ধরা না পরে হতে পারে তীব্র যন্ত্রণা বা ব্যাথা বা
এর থেকেও জটিল কিছু। আজ কথা বলবো মুখের বিভিন্ন ধরনের সিস্ট নিয়ে। ওরাল হেল্থ উথ ডা .শারমীন
জামান আপনাদের জানায় স্বাগত।
সিস্ট কি?
সিস্ট হলো এক ধরনের কেভিটি যার মধ্যে থাকে তরল পদার্থ যা একটি শক্ত বা নরম ব্যাগের মত হয়। মুখের
সিস্ট মুখের যেকোন জায়গায় হতে পারে।ঠোঁট, জিহ্বা, জিহ্বার নিচে,মুখের তালু, মাড়ি, লালাগ্রন্থি সব
জায়গায়তে। প্রথমে ছোট থাকে। ১ সেন্টিমিটারের চেয়ে ছোট হয়। সংক্রমিত হলে বড় হতে থাকে, লাল রং ধারন
করে এবং প্রচন্ড ব্যাথা থাকে। অনেক সময় সিস্টের ভেতর থাকা পুঁজ বের হতে থাকে। চোয়ালের ভিতরে সিস্ট
হলে চোয়ালের হাড় ক্ষয় হয়ে যায়।
সিস্ট কত রকমের হতে পারে?
মুখের ডেন্টাল সিস্টগুলো বিভিন্ন ধরনের দেখা দেয়।
১. পেরিএপিক্যাল সিস্টঃ
এটাকে আমরা রেডিকুলার সিস্টও বলি।এই সিস্টটি মূলত হয় দাতের রুটে বা শিকরের নিচের অংশে। যদি
আপনার কোন দাঁত অনেক দিন ধরে কেরিয়াস থাকে যার প্লাপ বা মজ্জা মরে যায়। এক সময় এই ডেড পাল্প
গুলো ইনফেকশন তৈরি করে । যা ইনফ্লামেশন এর মাধ্যমে পেরিএপিক্যাল সিস্ট করে।
২. ডেন্টিজেরাস সিস্ট
ডেন্টিজেরাস সিস্টটি একটি ডেন্টাল সিস্ট যা হয় পুরো ক্রাউন পোরশটি ঘিরে। এটা সবসময় হয় উসডম বা
আক্কেল দাতে হয যা মাড়ির ভিতরেই থাকে মুখে উঠে নাই। তুলোনামূলোক বড় সিস্ট গুলো পাশের দাঁতের যে
এলাইনমেন্ট থাকে সেটা ক্ষতিগ্রস্থ করে। খুব কম সময়ই দেখা যায় এই সিস্টটিকে কেনসার এ রূপান্তরিত
হতে।
ওডোন্টোজেনিক সিস্ট
অনেক ধরনের সিস্ট আছে যে গুলো চোয়ালের ভেতর হয়। ওডোন্টোজেনিক সিস্টও সেরকম চোয়ালের হাড়ের
মধ্যে হয়। এবং এটি আক্রিতিতেও একটু বড় হয়।একটা সময় এটা দেখতে খুব বালজি বা ফোলা দেখা যায়।যদি
এর কোন চিকিৎসা না করা হয় তবে এটি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং পাশের দাঁতকে নষ্ট করে দেয়। ফলাফল
যা হয় তা হল ইনফেকশনের পরিমান অনেক বেরে যায়, সাথে প্রচন্ড ব্যাথা থাকে। এক সময় এই ইনফেকশন
সমস্ত শরীরে ছরিয়ে পরে এবং কেনসারে রূপান্তরিত হতে পারে।
মিউকোসিল বা মিউকাস সিস্ট
এই সিস্টটি আসলে মুখের নরম অংশ গুলোতে যেমন ঠোট, জিহবা, গালের ভিতরের দেখা যায়। এটি মুখে
জালাপোরা করে এবং ক্ষতের মত দেখতে। সাধারনত এটি নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়। কিন্তু ইপুলিস যেটা
গালের ভেতরে এবং রেনুলা যেটা জিহ্বার নিচে হয় স গুলোকে এক্সিশন করতে হয় মানে আপারেশন করতে হয়।
লক্ষণ:
অনেক কারনেই সিস্ট হয়।যেমন অনেক সময় মুখে যদি আঘাত লাগে, আপনি বুঝবেন না কি হয়েছে। এটা হয়
মূলত সামনের উপরের ও নিচের দাতে। অনেক দিন পর ঔ দাঁতের গোরায় ইনফেকশন হয়ে সিস্ট তৈরি হয় এবং
এটি ধীরেধীরে বড় হতে থাকে।
লক্ষন দেখা দেবার আগে এটি বড় আকারের রূপ নিতে পারে।ডেন্টাল সিস্ট যখন হয় তখন খুব ব্যথা অনুভূতি হয়
এবং স্থানটি লাল রং ধারন করে এবং ফুলে উঠে।
অনেক সময় কোন লক্ষন দেখা দেয় না শুধু এক্সরে করলে বোঝা যায়।
লক্ষণ দেখা দেবার আগেই এটি বড় আকারে রুপ নিতে পারে।ডেন্টাল সিস্ট যখন হয়,তখন আপনি ব্যথা অনুভব
করবেন, স্থানটি লাল এবং ফোলা হতে পারে। তবে, যেসব সিস্ট সংক্রামিত হয় না তাদের অনেক সময় কোনও
লক্ষণ দেখা যায় না। যদি না দেখা যায় বা আপনি বুঝতে না পারেন তবে এগুলি সাধারণত এক্স-রে বা অন্যান্য
ডায়াগনস্টিক স্ক্যানগুলিতে ধরা পড়ে। মুখের মিউকোসাল আস্তরণের সিস্টটি ফোসকা বা ক্ষত হিসাবে দেখা
দিতে পারে।
চিকিৎসা:
ডেন্টাল সিস্ট চিকিৎসা করার সময় অনেক গুলো দিক খেয়াল রাখতে হবে। সিস্টের আশেপাশে কোন দাঁত বা
নার্ভ ইনভিজিলেশন আছে কিনা। অনেক সময় সিটি স্কেন করার প্রয়োজন হয়। কতটুকু পরিমানে, চোয়ালের
কতটুকু স্থান জুড়ে রয়েছে সেটা দেখার জন্য। আবার সিস্টের ধরন দেখে অনেক সময় বোঝা যায় এটা কি ধরনের
সিস্ট। আবার বাইয়োপসির করার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় এটা সিস্ট না টিউমার।যদি অনেক বড় অংশ জুড়ে
হয় তবে অবশ্যই সিটি স্ক্যান বা এম আর আই করে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান করতে হবে।
ছোট সিস্ট হলে ট্রিটমেনট করাটা খুব জরুরি থাকেনা। কিন্তু যত তারাতরি করা যায় ততো ভালো। অনেক সময়
এন্টিবায়োটিক নিলেই সিস্টের গ্রোথ কমে যায়। সবচেয়ে কার্যকরি বা ইফেকটিভ ট্রিটমেন্ট হল সার্জিকাল
রিমুভেবল। সিস্টের শুধু তরল অংশটি বের করে দিলে দেখা যায় কিছু দিন পর আবার সিস্টটি রিকারেন্ট হয়।
এজন্য সার্জিক্যাল রিমুভেবল করা সবচেয়ে কার্জকরি। একে আমরা ইনিউক্লিয়েশন বা মার্সুপিয়ালাইজেশন
করা বলি।
#drsharmeenzaman
#oralhealth
#Cyst