৪২ তলা ভবনের সমান মাটির তলে গিয়ে ভয়ংকর ভাবে ‘পদ্মা সেতু’ গড়া হচ্ছে যেভাবে জানলে শিউরে যাবেন!!
Banglar Gutibazz
0:00 / 0:00
৪২ তলা ভবনের সমান মাটির তলে গিয়ে ভয়ংকর ভাবে ‘পদ্মা সেতু’ গড়া হচ্ছে যেভাবে জানলে শিউরে যাবেন!!
467 254 просмотра · 8 лет назад
Banglar Gutibazz
845 тыс. подписчиков
467 254 просмотра · 8 лет назад
প্রমত্তা পদ্মার এপার-ওপার আসা-যাওয়ার পথে কিছু সময় পরপর একসঙ্গে ছয়টি কূপ দেখা যায়। মনে হবে, এর ভেতরে পড়ে গেলেই প্রাণবায়ু শেষ। কাছাকাছি এলে বোঝা যাবে, কূপগুলো আসলে বড় বড় পাইপের মুখ। নদীর বিশাল জলরাশি সরিয়ে এগুলো চলে গেছে গভীরে। একটু-আধটু নয়, ইস্পাতের তৈরি বড় পাইপগুলো হাইড্রোলিক হ্যামারের আঘাতে দাবানো হয়েছে মাটির ১২৮ মিটার গভীরে। পাইপকেই বলা হয় পদ্মা সেতুর ‘পাইল’।
এমন ছয়টি পাইলের ওপর দাঁড় করানো হচ্ছে একটি পিলার। সহজ ভাষায় ‘খুঁটি’ বলা যায়। এই খুঁটির ওপর স্থাপন করা হচ্ছে স্প্যান। ৪২টি খুঁটির ওপর ৪১টি স্প্যান জোড়া লাগিয়ে গড়ে উঠছে পদ্মা সেতু। কিন্তু ‘খুঁটি’ শব্দটি লেখা যত সহজ, গড়াটা তত কঠিন। এর চেয়ে কঠিন কাজ হলো, যার ওপর খুঁটি বসানো হয়, সেই পাইলগুলো মাটি ভেদ করে দাঁড় করানো।
এরই মধ্যে পদ্মার বুক চিরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে চারটি খুঁটি। দুটি খুটির ওপর বসানো হয়েছে একটি স্প্যান। সময় যত গড়াচ্ছে, একের পর এক পাইল মুখ তুলছে আকাশের দিকে। পাইলের ভেতরে গিয়ে দুঃসাহসিক কাজ করছেন রাজু, তাজুল ইসলাম, জাকির, মোস্তফা, সোহাগ, মামুন, আনিসরা। তাঁরা সবাই পদ্মা সেতুর নির্মাণশ্রমিক। তিন বছর ধরে এই প্রকল্পে কাজ করছেন। নদীর তলদেশে পাইল দেবে দেওয়ার পর শুরু হয়ে তাঁদের আসল কাজ। ৪২ তলা ভবনের সমান উচ্চতার প্রতিটি পাইল প্রায় ১০ ফুট চওড়া। এরপর পাইলের ভেতর থেকে মাটি ও পানির পাম্প মেশিন দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। মাটি-পানি সরিয়ে পাইলের শেষ প্রান্তে ১০ মিটার অংশে পাথর ও সিমেন্ট দিয়ে সিল কংক্রিট করা হয়।