Перейти к содержимому

রাবণের অত্যাচার থেকে দেবতাদের রক্ষা করতে ভগবানের মানুষ হয়ে জন্ম নেওয়ার পরিকল্পনা

প্রভাতে রামকথা

0:00 / 0:00

রাবণের অত্যাচার থেকে দেবতাদের রক্ষা করতে ভগবানের মানুষ হয়ে জন্ম নেওয়ার পরিকল্পনা

20 просмотров · 10 дн. назад
প্রভাতে রামকথা
40 подписчиков
20 просмотров · 10 дн. назад
রাবণের অত্যাচার থেকে দেবতাদের রক্ষা করতে ভগবানের মানুষ রুপে জন্ম গ্ৰহন করার পরিকল্পনা ভগবান শ্রী বিষ্ণু রাবনের হাত থেকে দেবতাদের রক্ষা করতে কি করলেন তার বর্ননা করা হয়েছে দশরথ একটানা এক বছর ধরে যজ্ঞ করছেন এদিকে স্বর্গের দেবতারা ভয় ভিত বিশ্রবার পুত্র রাবন স্বর্গ থেকে দেবতাদের ধরে নিয়ে এসে লঙ্কাতে খাটাছে দেবরাজ ইন্দ্র ব্রহ্মদেবকে বলেন এর থেকে পরিত্রাণ পেতে কোন উপায় বার করুন এই চরম সঙ্কটের সময়ে ভগবান বিষ্ণুকি মর্ত্যলোকে জন্ম নিয়ে আমাদের উদ্ধার করবেন না ব্রহ্মদেব বললেন দশরথ পুত্র লাভের জন্য যজ্ঞ করছে দশরথের পুত্র হলে সেই পুত্র রাবন কে বধ করবে এই বলে দেবতারা সবাই ক্ষীরোদ সমুদ্রে গেলেন যেখানে নারায়ন আছেন সেখানে গিয়ে ব্রহ্মা চারি মুখে বিষ্ণুর বন্দনা গুন কিরতন করেন আর কত ঘুমাবেন প্রভু নারায়ন লক্ষী দেবী নারায়নের পায়ের কাছে বসে সেবা করছেন লক্ষীপতী শ্রী বিষ্ণু অনন্ত নাগের উপর পরম শান্তিতে ঘুমাচ্ছেন এই দৃশ্য দেখে দেবতারা ক্ষীরোদ সমুদ্রের তীরে জড়ো হলেন সুমুদ্রের জলের উপর বিষ্ণু যে ভাবে শুয়ে আছেন দুর থেকে দেবতাদের কাছে মনে হচ্ছিল নীল জলের বুকে কালো মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে নাগরাজ বাসুকি তার হাজার টি ফনা বিস্তার করে প্রভুর মাথার উপর ছাতার মতো ধরে রেখেছেন যাতে তার ঘুমের কোন ব্যাঘাত না ঘটে দেবতারা প্রার্থনা করছেন যাতে প্রভু তার সেবকদের ওপর দৃষ্টি পাত করেন তাদের মনোবাঞ্ছা পুরন করেন ব্রহ্মার আরাধনায় বিষ্ণুর নিদ্রা ভঙ্গ হলো বিষ্ণু উঠে বসলেন দেখলেন চারিদিকে যত দেবগন বিষ্ণু চারিদিকে দেবতাদের ল্মান মুখ দেখে জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের এই রকম দশা হওয়া কারণ তোমাদের শত্রু কে ব্রহ্মা তখন ইন্দ্র দেব কে বললেন তুমি নিজে গিয়ে প্রভুর সামনে সব কথা খুলে বলো ব্রহ্মা বললেন আমি নিজেই রাবন কে বড় দিয়ে শক্তিশালী করছি তাই সে কে ইন্দ্র বললেন তুমি গিয়ে আমাদের দুঃক্ষের কথা প্রভু কে জানাও তখন দেবতাদের গুরু বৃহস্পতি হাত জোড় করে ভগবানের সামনে সাষ্টাঙ্গে প্রনাম করলেন তিনি বললেন হে ভগবান দয়া করে মনোযোগ দিয়ে শুনুন দেবতাদের কী দূর্দশার হয়েছে তা তো আপনার জানাই আছে আপনি সমস্ত বেদ শাস্ত্র পুরান এর শার আপনি অনাথের নাথ আমাদের এই সঙ্কট থেকে রক্ষা করূন বিশ্রবা মুনির পুত্র রাবন কঠোর তপস্যা করে ব্রহ্মার কাছ থেকে অপরাজেয় হওয়ার বর পেয়ে ছে তার শক্তির প্রভাবে দেবতারা স্বর্গে টিকতে পারছনা সেই দুষ্টের অত্যাচারে দেবতাদের মর্যাদা ও ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেছে সে যমের সমস্ত ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে তার ভয়ে সূর্য ঠিক মতো আলো দেয়না চারিদিক অন্ধকারে ঢাকা চন্দ্রের আলোর কথাও কি বা বলবো রাবনের ভয়ে স্বর্গে দীর্ঘ কাল অন্ধকার রাত্রি বিরাজ করছে জলের দেবতা বরূনের জল শুকিয়ে গেছে আর অগ্নির তেজ নিভে গেছে সে প্রবল ভাবে জ্বলতে পারছে না ধনের দেবতা কুবেরের ধন সম্পদ রাবন কেড়ে নিয়েছে সে ভয়ে কাঁপছে গ্ৰহ নক্ষত্রের ক্ষমতা ও প্রভাব বিনষ্ট হয়ে গেছে পবন দেব মহা ভয়ে নিজের গতি থামিয়ে নিয়েছে এমনকি সুমদ্রের তীব্র ঢেউও এখন ভয়ে শান্ত ও ধীর হয়ে গেছে ভয়ে নারদ মুনি বিনা বাজানো ছেড়ে দিয়ে ছে শীতে কাঁপছে স্বর্গে সমস্ত শুভ বিষয় উল্টে গিয়ে অমঙ্গল দেখা দিয়েছে বসন্তসহ ছটি ঋতু সাভাবিক নিয়ম হারিয়ে ছে রাবনের কারনে সবাই প্রতি দিন চরম ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে ব্রহ্মার দেওয়া বরের কারনে রাবন আজ অপরাজেয় ও দূর্জয় এখন স্বয়ং ব্রহ্মা তাকে বর দিয়ে নিজেই ভয়ে অস্থির ব্রহ্মার সেই বরের সুযোগ নিয়ে তার মুখের কথাকে ঢাল বানিয়ে রাবন সমস্ত দেবতাদের স্বর্গ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে রাবন দেবতাদের যত কন্যা ছিল তাদের সবাইকে জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে গেল দেবতাদের শরীরে আর কতো অপমান সহ্য করা যায় রাবনের ভয়ে ত্রীভূবনে কোথাও আর শান্তি তে থাকার জায়গাও নেই দেবতারা যেখানেই যাক না কেন কারন সেখানেই তাদের অপমান করে হে প্রভু আপনার চরনে আমাদের এই আকুল আবেদন আপনি রাবন কে বধ করে দেবতাদের চরম বিপদ থেকে রক্ষা করুন দেবতাদের এই দুক্ষের কথা শুনে অন্তর্যামী শ্রীহরির মনের ভিতরে তীব্র ক্রোধের সৃষ্টি হলো আগুনে ঘি ঢাললে যেমন দপ করে জ্বলে উঠে দেবতাদের কথা শুনে প্রভুর রাগ ও তেমন তীব্র হয়ে উঠলো তখন শ্রীহরি তার বাহন গরুর কে মনে মনে স্বরন করলেন হাতে সুদর্শন চক্র ধারন এবং পদ্মাসনে আরোহন করে তিনি প্রস্তুত হলেন তিনি দেবতাদের অভয় দিয়ে বললেন তোমাদের আর কোন ভয় নেই আমি এখুনি গিয়ে রাবন কে সংহার করবো জগতের নাথ শ্রীহরি তখন গরূড়ের পিঠে চড়ে গমন করলেন এমন সময় সৃষ্টি কর্তা ব্রহ্মা প্রভুর সামনে উপস্থিত হলেন এবং ব্রহ্মা বললেন আমি পূর্বেই রাবন কে একটি বিশেষ বড় দিয়ে রেখেছি কাজেই আপনি সরাসরি যুদ্ধ করলেও রাবন মোরবেনা কারণ বরের কারনেই সে দেবতা ও অসুরের হাতে অবধ্য তবেই কেবল মানুষ এবং বানরের তার মৃত্যু সম্ভব কারন রাবন বর চাওয়ার সময় মানুষ ও বানরকে তুচ্ছ মনে করে তাদের হাত থেকে অব্যাহতির বর চায়নি আপনি যদি মানুষ রুপে পৃথিবীতে জন্ম নেন তবেই মানুষ এবং বানরের হাতে তার মরন সম্ভব স্বয়ং ব্রহ্মা দেব বিষ্ণুর সামনে দাঁড়িয়ে এই কথা গুলো বললেন মর্ত্যে জন্ম নেয়ার কথা শুনে প্রভু বিষ্ণু চিন্তায় মাথা নিচু করলেন বর দেওয়ার সময় ব্রহ্মা সবার আগে এগিয়ে যান আর যখন বিপদ আসে তখন বলেন হে প্রভু রক্ষা করুন ভাগ্যের লিখন অনুযায়ী কষ্ট তো পেতেই হবে বিষ্ণু দেব ভাবছেন এবার স্বর্গ ত্যাগ করে আমাকে পৃথিবীতে যেতেই হবে ব্রহ্মা আবার ও শ্রীহরি কে উদ্দেশ্য করে বলতে লাগলেন দুষ্ট রাবনের আরও কৃত্তিকলাপের কথা শুনুন সূর্য দেব হাতে অস্ত্র নিয়ে লঙ্কার দরজার প্রহরীর কাজ করছেন দেবরাজ ইন্দ্র রাবনের জন্য ফুলের মালা গাঁথেন আর চন্দ্র দেব তার মাথায় ছাতা ধরে থাকেন স্বয়ং অগ্নি দেব রাবনের জন্য রান্নার কাজ করেন পবন দেব আলতো করে রাবন কে বাতাস করেন জল দেবতা বরুন প্রতিদিন রাবন #Ramayan #Ramkatha #Ramayanmahagratha #Ramayanmahakavyan #Ramayan motivation #Ramayan aadikand