Перейти к содержимому

হৃদয়_রাঙানো_প্রেম সিনথিয়া_ইসলাম_সীমা পর্ব ২৬ সৃষ্টিকর্তার বিধান অনুযায়ী সদ্য বিবাহ নামক পবিত্র

গল্পঘর

0:00 / 0:00

হৃদয়_রাঙানো_প্রেম সিনথিয়া_ইসলাম_সীমা পর্ব ২৬ সৃষ্টিকর্তার বিধান অনুযায়ী সদ্য বিবাহ নামক পবিত্র

858 просмотров · 2 дн. назад
গল্পঘর
6,76 тыс. подписчиков
858 просмотров · 2 дн. назад
বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে এক করা কপোত কপোতী। বাড়িময় বিরাজ করছে এক নয়া সুখ। সকলের মুখে দেখা যাচ্ছে অমায়িক হাসি। সহসা সেই হাসির বিলুপ্তি হয়ে আগমন ঘটলো এক অদ্ভুত শঙ্কার! ড্রয়িং রুমে কৃশানের উচ্চ কণ্ঠের শব্দে সকলে ছুটে এলেন সেথায়। চোখের সামনে আবিষ্কার করলেন এক ভয়াবহ চিত্র। পাত্র পক্ষের ছোট ভাইকে ফ্লোরে ফেলে এলোপাতাড়ি মেরে যাচ্ছে পাত্রীর বড়ো ভাই। তাও আবার বিয়ের দিন। ব্যপারটা উপস্থিত সকলকে এতটাই আশ্চর্য করল যে জায়গা থেকে নড়তে ভুলে বসলেন তারা। নিজেকে ঘেরাও করে থাকা লোকজনের দিক বিন্দুমাত্র খেয়াল নেই কৃশানের। ছেলেটার চোখ মুখ অস্বাভাবিক লাল। রাগের মাথায় মুখ- হাত ফুরসতহীন চলতেই আছে তার, “ তোর সাহস কি করে হয় আমার জিনিসে নজর দেয়ার? ঐদিন বলেছিলাম না তোকে ওঁর থেকে দূরে থাকবি! বলেছিলাম কিনা বল! ” নাক মুখ দিয়ে র*ক্ত বেরোতে থাকা আজাদের পক্ষ থেকে কোনো উত্তর আসলো না। ছেলেটার জান যায় যায় অবস্থা। কি থেকে কি ঘটে গেল এখনো মাথাতেই কেচ করছে না। কৃশানের কণ্ঠে তখন পিছন ফিরতে না ফিরতেই তার শক্ত হাতের অক্রমনে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। এরপর থেকে আর কোনো থামাথামি নেই একের পর এক আঘাত পেয়েই যাচ্ছে। কখনো এমন ঘটনার মুখোমুখি না হওয়ায় নিজেকে বাঁচাতেও সক্ষম হচ্ছে না। অকস্মাৎ কলার টেনে তাকে দাঁড় করালো কঠোর মানব। ওভাবেই সামনে এগোতে এগোতে বলল, “ আজ তোর চোখ তুলে নেব আমি। যেই চোখ আমার স্ত্রীকে দেখার সাহস করে সেই চোখ দিয়ে দুনিয়া দেখার অধিকার নেই তোর! ” “ এসব কি হচ্ছে জলিল সাহেব! আপনার ছেলের সাহস কি করে হয় আমার ছেলের সাথে এমন আচরন করার! ” এতক্ষনে মুখ খুললেন উমরের বাবা উসমান মোল্লা। তিনি ধুপধাপ পা ফেলে এগিয়ে এলেন কৃশানের দিক। এক ধাবায় ছেলেকে ছাড়িয়ে নিলেন। কৃশানের উদ্দেশ্যে হুংকার ছুঁড়লেন, “ তোমার সাহস কি করে হয় আমার ছেলের গায়ে হাত তোলার! ” “ শুধু হাত তুলা কেন আপনার ছেলের মতো হাজারটাকে জ্যান্ত পুঁতে ফেলার সাহসও আমার আছে। ” বলেই আবারও আজাদকে ধরতে গেল সে। এবার এসে তাকে থামিয়ে দিলেন জলিল মির্জা। কোনোরূপ কথা ছাড়াই শক্ত হাতে একটা চড় বসিয়ে দিলেন ছেলের গালে। মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে গেল চারিপাশ। সরবতার পর্ব চুকে গিয়ে শুরু হলো এক অদ্ভুত নীরবতা। ইকরা ও হুমায়রা ব্যতিত সকলেই ড্রয়িং রুমে উপস্থিত হয়ে গেছে ততক্ষণে। সামনের দৃশ্যে রীতিমত হা হয়ে গেছে সকলে। সবগুলো ভয়ার্ত দৃষ্টি নিবদ্ধ হয়ে রইল বাপ- ছেলের পানে।