Перейти к содержимому

হৃদয়_রাঙানো_প্রেম সিনথিয়া_ইসলাম_সীমা পর্ব ২৯ মসজিদে যোহরের নামাজ পড়িয়ে এসে বাসায় প্রবেশ

গল্পঘর

0:00 / 0:00

হৃদয়_রাঙানো_প্রেম সিনথিয়া_ইসলাম_সীমা পর্ব ২৯ মসজিদে যোহরের নামাজ পড়িয়ে এসে বাসায় প্রবেশ

642 просмотра · 19 часов назад
গল্পঘর
6,76 тыс. подписчиков
642 просмотра · 19 часов назад
করল উমর। ড্রয়িং রুম তখন পুরোপুরি ফাঁকা। যে যার মতো রুমে ব্যস্ত। ধীরপায়ে নিজ কক্ষের দিক হাঁটা ধরল সে। রুমে এসেই দেখতে পেল ইকরার লালিত মুখশ্রী। দেখেই বুঝা যাচ্ছে মেয়েটা কেঁদেছে। কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে দেখতেই মুখে মুচকি হাসি ফুটিয়ে নিজেকে স্বাভাবিক ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চালালো ইকরা। বলল, “ আপনি এসে গেছেন। ” ইকরার একদম নিকটে এগিয়ে এলো উমর। পাশে বসে মোলায়েম স্বরে প্রশ্ন ছুঁড়ল, “ আপনি কেঁদেছেন কেন? কেউ কিছু বলেছে? ” অপ্রস্তুত হয়ে পড়ল ইকরা। কথা ঘুরিয়ে বলতে চাইল, “ আসলে...” “ কথা ঘুরানোর চেষ্টা করবেন না। আপনার চোখ মুখ দেখেই স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে আপনি কেঁদেছেন। ” পথিমধ্যেই তাকে থামিয়ে দিয়ে বলে উঠল উমর। চুপ মেরে গেল মেয়েটা। বলার জন্য কথা খুঁজে পেল না। উমর বাসা থেকে বেরোনোর পর তাকে ইচ্ছেমত কথা শুনিয়েছেন উমরের মা। জবাবে পুরোটা সময় চুপ ছিল ইকরা। সে যত অভিযোগ, অভিমান ও কথার প্রতিবাদ করতে জানে আপন মানুষদের সঙ্গে। তবে অন্য কেউ কিছু বললে কথার আগেই চোখ বেয়ে পানি গড়ানো শুরু করে। মুখ ফুটে আর কিছু বলা হয়ে উঠেনা তার। তবে মানুষটার কাছে কিভাবে তার মাকে নিয়ে অভিযোগ করবে সে। এতে মা- ছেলের সম্পর্ক খারাপ হবে। সাথে সে কখনো নিজের শাশুড়ির মন জয় করতে পারবে না। তাই চুপ করে রইল। ইকরার ব্যাপারটা হয়তো আন্দাজ করতে পারল উমর। বলল, “ আপনি চিন্তা করবেন না। আমাকে বলে নিজেকে হালকা করুন। আমি এসব নিয়ে ঝামেলা করবো না। ” চোখ দিয়ে গরগর করে পানি ঝরতে লাগল ইকরার। ভাঙা গলায় সবকিছু খুলে বলল সে। তবে কিছু কিছু কথা এড়িয়ে গেল। সবশেষে বলল, “ ইমাম সাহেব, আপনি ভাববেন না আমি আপনার আম্মাজানের নামে অভিযোগ করছি। আমি শুধু আমার কষ্টগুলো আপনার সাথে ভাগাভাগি করছি। এখানে তো কেউ নেই যার কাছে আমি নিজের কষ্টগুলো ভাগাভাগি করতে পারবো। শুধু আপনিই আছেন। আপনি আমাকে সময় দিন ইনশাআল্লাহ আমি সবার মন জয় করে নিব। ততদিন শুধু আপনি আমার সঙ্গ দিয়েন তাতেই চলবে। এসব নিয়ে আপনি কাউকে কিছু বলবেন না কিন্তু? ”