Перейти к содержимому

সংসারে সব আছে তবুও শান্তি নেই, সমাধান দিলেন শ্রীশ্রীঠাকুরের

Satsangkotha

0:00 / 0:00

সংসারে সব আছে তবুও শান্তি নেই, সমাধান দিলেন শ্রীশ্রীঠাকুরের

19 просмотров · 3 дня назад
Satsangkotha
748 подписчиков
19 просмотров · 3 дня назад
দেওঘরে আগমনের পরেও শ্রীশ্রীঠাকুর একই সুরে দীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি করার কথা বলেছেন। অনেকে হয়তো সংসার-যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে এসে শান্তির উপায় জানতে চেয়েছে। তাদের তিনি বলেছেন, "ভগবানের নাম করতে হয়। তাঁকে ভালবাসতে হয়।" তারা প্রশ্ন করেছে, "কিভাবে নাম করব?" সম্মুখে উপস্থিত কোন ঋত্বিকদাদাকে দেখিয়ে অথবা আপাততঃ অনুপস্থিত কোন ঋত্বিকদাদার নাম উল্লেখ করে শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছেন, "ওর কাছ থেকে শুনে নিলে হয়" অর্থাৎ প্রকারান্তরে সেই ঋত্বিকের মাধ্যমে দীক্ষাগ্রহণের কথা বলে দিলেন। সক্ষম-অক্ষম, সাধু-অসাধু, ধনী-দরিদ্র সবরকম লোকের প্রতিই তাঁর এই স্পষ্ট নির্দেশ নির্দ্বিধায় বর্ষিত হ'ত। 'পাছে লোকে কিছু বলে' বা 'কে কী মনে করবে' এরকম কোন চিন্তা শ্রীশ্রীঠাকুরকে তাঁর উদ্দেশ্য থেকে বিরত করতে পারেনি। যে পথ অবলম্বন করে মানুষ বাঁচবে তা' তিনি স্পষ্ট ভাষায় এবং বিশেষ জোরের সঙ্গে ঘোষণা করেছেন। অবতারপুরুষগণ প্রতি যুগেই তাই করেন। লজ্জা-ঘৃণা-ভয়ের কোন পাশই তাঁদের অভিযানকে নিরুদ্ধ বা বিত্রস্ত করতে পারে না। একবার জামতাড়ার এক ধনাঢ্য ব্যক্তি শ্রীশ্রীঠাকুরের দর্শনে আসেন। তাঁর কথাবার্তার ধরন ও বসন-ভূষণে বিলাসিতা তথা মদমত্ততার ছাপ সুস্পষ্ট। কথায় কথায় জানালেন, তাঁর সংসারে আর্থিক কোন কষ্ট না থাকলেও মনের শান্তি নেই। পারিবারিক নানারকম ঝঞ্ঝাটে তাঁকে নিয়ত বিব্রত থাকতে হয়। এইসব বহু কথা বলে তাঁর কী করা উচিত জানতে চাইলেন। শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁকে দিলেন এক ব্যঞ্জনাময় উত্তর। বললেন, 'আমিতো কই, শুঁড়ির দোকানে যখন এসেছ তখন এক গেলাস খাও।' ঐ ভদ্রলোক কথাটি বুঝতে না পারায় বুঝিয়ে দেওয়া হ'ল এবং তারপর তিনি দীক্ষা গ্রহণ করলেন। এইরকম বহু লোককে, যে যেমন তার বৈশিষ্ট্য-অনুপাতিক দীক্ষাগ্রহণের কথা শ্রীশ্রীঠাকুর বলেছেন। ফেসবুক/ইউটিউবের জন্য ৫টি হ্যাশট্যাগ দিতে পারেন: #দীক্ষাপ্রসঙ্গ #শ্রীশ্রীঠাকুরঅনুকূলচন্দ্র #শান্তিরপথ #সৎসঙ্গ #ঠাকুরেরবাণী