মহিষ উন্নয়ন খামার,সাভার | Buffalo Development |BuffaloTraining Center, Savar | মহিষ পালন পদ্ধতি
Traveling and Exploring
0:00 / 0:00
মহিষ উন্নয়ন খামার,সাভার | Buffalo Development |BuffaloTraining Center, Savar | মহিষ পালন পদ্ধতি
2 052 просмотра · 2 года назад
Traveling and Exploring
3,26 тыс. подписчиков
2 052 просмотра · 2 года назад
গরু ও মহিষ প্রাণিসম্পদ খাতের দুটি প্রধান গবাদিপশুর জাত। পৃথিবীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দুগ্ধ উৎপাদনকারী গবাদি প্রাণি মহিষ। এই মহিষের জাত উন্নয়নে সরকার ১৬২ কোটি ৯৩ লাখ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দুধ ও মাংসের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে অধিক উৎপাদন ও প্রজনন ক্ষমতাসম্পন্ন মহিষের জাত উন্নয়ন এবং মহিষের সংখ্যা বাড়ানো, দুগ্ধ উৎপাদনে মহিষের ভূমিকা জোরদার, আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, মহিষ খামারিদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং মহিষজাত খাদ্যপণ্য গ্রহণে জনসচেতনতা বাড়াতেই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রকল্পের নাম :
মহিষ উন্নয়ন প্রকল্প (২য় পর্যায়)
বাসৱবায়নকারীর সংস্থা :
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
অনুমোদিত ব্যয়মোট : ১৬২.৯৩ কোটি টাকা (সম্পূর্ণ জিওবি)
প্রকল্প মেয়াদ :
০১/১০/২০১৮ থেকে ৩০/১২/২০২৩ইং
প্রকল্প এলাকা:
৮টি বিভাগের ৪৯টি জেলার ২০০টি উপজেলা।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য:
দুধের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে অধিক উৎপাদন দক্ষতা ও প্রজনন ক্ষমতা সম্পন্ন মহিষের জাত উন্নয়ন এবং মহিষের সংখ্যা বৃদ্ধি।
প্রকল্পের প্রধান কার্যক্রম:
উন্নতজাতের ১৬০টি মহিষ ভারত থেকে ক্রয় করা হবে। এছাড়া ২০০টি বকনা ও ষাঁড় বাছুর বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রয় করে লালন পালন করে জাত উন্নয়নের জন্য কৃষকদের মাঝে ভর্তূকি মূল্যে বিতরন করা হবে।
#সুফলভোগী #প্রশিক্ষণ#মহিষ পালন করাী ৬০০০ জন এবং কৃত্রিম প্রজনন কারী ৩৬০ জন।
সিলেট অঞ্চলের সোয়ামপ মহিষের হৃষ্টপুষ্টকরণ কর্মসূচি বাসৱবায়ন।
বাগেরহাট মহিষ খামারের মধ্যে দিয়ে রেলপথ নির্মাণের কারণে ভূমি অধিগ্রহন, সেডসহ অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণ।
মহিষের দুধে ফ্যাট এর পারসেন্টেজ বেশি, তাই মহিষের দুধের দাম বেশি এবং দধির জন্য একটি উৎকৃষ্ট দুধ। তাই দুধের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এবং প্রাণিসম্পদ ও পরিবেশ রক্ষা করার জন্য সরকার মহিষের দুধ উৎপাদন ও মহিষের কৃত্রিম প্রজনন বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছে।
মহিষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গরুর চেয়ে অনেক বেশি, তার প্রমাণ খঝউ. তাছাড়া মহিষ প্রতিকূল আবহাওয়া ও নিন্মমানের খাদ্য খেয়ে বেঁচে থাকতে পার তাই আমাদের গরুর পাশাপাশি মহিষ পালনের দিকেও নজর দিতে হবে।
মহিষের মাংসে ও দুধে অ১অ১ জেনোটাইপ নেই, তাই যাদের ডায়াবেটিকস, হৃদরোগ আছে তারা মহিষের মাংস ও দুধ খেতে পারবে।
ইতিহাস পর্যালোচনায় দেখা যায়, গরুর তুলনায় মহিষের দৈহিক বৃদ্ধির হার তুলনামূলক বেশি। আরেকটি উল্লেখযোগ্য সুবিধা হলো, গরুর তুলনায় মহিষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি এবং এরা সামুদ্রিক জোয়ার-ভাটার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে পারে। মহিষের মাংস ও দুধে কোলেস্টরলের মাত্রা গুরুর মাংস ও দুধ অপেক্ষা কম, তাই স্বাস্থ্যসম্মত। মহিষ হলো পৃথিবীতে দ্বিতীয় বৃহত্তম দুগ্ধ উৎপাদনকারী গবাদি প্রাণি। ভারতসহ ভূমধ্যসাগরীয় কয়েকটি দেশে উন্নত প্রযুক্তি, প্রজনন কৌশল ও ব্যবস্থাপনা মাধ্যমে মহিষের দুধ উৎপাদন অনেকগুণ বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে।