বাংলার ১৬ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম কয়েক মিনিটে গায়েব করে দিল কারা? কারা সেই ষড়যন্ত্র এ সামিল ছিল?
বাংলা বাজার BANGLA BAZAR
0:00 / 0:00
বাংলার ১৬ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম কয়েক মিনিটে গায়েব করে দিল কারা? কারা সেই ষড়যন্ত্র এ সামিল ছিল?
48 217 просмотров · 5 ч назад
বাংলা বাজার BANGLA BAZAR
220 тыс. подписчиков
48 217 просмотров · 5 ч назад
একদিকে সুপ্রিমকোর্টে মামলা, আবার ঐ দি দশ পনেরো পরে শুনানি হবে, কতদিন জবাব না দিয়ে পালাবেন জ্ঞানেশ কুমার, এবারে তার সঙ্গে নাম জুড়লো মনোজ আগরওয়ালের, তাঁকেও এই ১৬ লক্ষের ব্যাখ্যা দিতে হবে, সত্যি বের হবেই একদিন, অন্যদিকে রাস্তাতেও উত্তাল জনকল্লোল, আছড়ে পড়ছে দিল্লির বুকে। কৃষকরা জুড়ে গেছেন, ছিলেন ছাত্র যুবরা, সঙ্গে আসছে রাজনৈতিক দলগুলো, সব মিলিয়ে এই ঘোটালা থেকে মুক্ত হবার কোনও রাস্তাই আজ খোলা নেই। কিন্তু সে দিল্লিতে যা হচ্ছে তা তো হবে, আমাদের দেশ তো নেপাল, লংকা, বাংলাদেশ নয়, এখানে রেজিম চেঞ্জ হবে সংসদীয় রীতি নিতী মেনেই, হয় সরকার পদত্যাগ করবে, নাহলে ২৭ এ উত্তরপ্রদেশ থেকেই শুরু হবে পতন, যা অনিবার্যভাবেই ২৯ এর পতনকে ডেকে আনবে। কিন্তু তারও আগে প্রশ্ন বাংলার মানুষের, তারাও তো জানতে চাইবে, ১৬ লক্ষ ভোটারের নাম কী করে বাদ গেল? ৩ মিনিটেই কেটে দেওয়াহল ১২ লক্ষের বেশী ভোটারের নাম। কার আদেশে? কার সিদ্ধান্তে? কারা সেদিন এই ষড়যন্ত্রের ব্লুপ্রিন্ট রচনা করেছিলেন? আমরা ইতিমধ্যেই জানি যে এক হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে এই বাদ দেওয়া নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, সেসবও বাইরে আসবে। যদি এই আশংকাই সত্যি হয়, যদি সত্যিই দেখা যায় এক গোপন ষড়যন্ত্রে আনা হয়েছিল বাংলার পরিবর্তন, তাহলে সেদিন বাংলার মানুষ এই পরিবর্তনকে প্রত্যাখ্যান করবেন। আপাতত এই অভিযোগের জবাব দেবার দায় বাংলার তৎকালীন চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার মনোজ আগারওয়ালের, তিনি জানেন, নাকি তিনিও ফেঁসে গেছেন, দিল্লিতে বসে এক খান্না দিদিই কি এই ষড়যন্ত্রের মাথা? বের হবে, সব বের হবে। আমরা নির্বাচনের পরেই আমাদের অনুষ্ঠানে বলেছিলাম যে রেফারিরাই প্লেয়ার হয়ে গেল, প্লেয়াররাই রেফারি ছিল। যে ভোট করানোর দায়িত্বে ছিলেন চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার মনোজ আগরওয়াল, যে এস আই আর সুষ্টুভাবে করানোর দায়িত্বে রোল অবজার্ভার হিসেবে ছিলেন সুব্রত গুপ্ত, সেই তারাই নির্বাচনের পরেই নতুন রেজিমের মাথায়, একজন মুখ্য সচিব, একজন মুখ্য পরামর্শদাতা। হ্যাঁ সেদিন আমাদের সন্দেহ ছিল, আজ সেই সন্দেহ এক আকার নিয়েছে, অন্তত এটা তো জলের মত পরিস্কার যে ষড়যন্ত্র করেই বাদ দেওয়া হয়েছিল ১৬ লক্ষ ভোটারকে, যে সময়ে সেটা হয়েছিল সেই সময়ে দেশের চিফ ইলেকশন কমিশনার ছিলেন জ্ঞানেশ কুমার, আর রাজ্যের নির্বাচনী ব্যবস্থার মাথায় ছিলেন মনোজ আগরওয়াল।