Перейти к содержимому

সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল ফর্ম সিক্স পরিবর্তনে তাঁদের সায় ছিল না। তাহলে? বেআইনি কাজের জন‍্য জেল?

বাংলা বাজার BANGLA BAZAR

0:00 / 0:00

সুপ্রিম কোর্ট সাফ জানিয়ে দিল ফর্ম সিক্স পরিবর্তনে তাঁদের সায় ছিল না। তাহলে? বেআইনি কাজের জন‍্য জেল?

36 742 просмотра · 6 часов назад
বাংলা বাজার BANGLA BAZAR
218 тыс. подписчиков
36 742 просмотра · 6 часов назад
যদি সত্যিই এই এস আই আর এক অবৈধ নির্দেশ হয়, তাহলে সেই অবৈধ এক নির্দেশকে সামনে রেখে যে ষড়যন্ত্র হয়েছে তাতে সামিল প্রত্যেকের নাম আসবে। তাদের বিচারও হবে। কর্ণাটকে এস আই আর চলাকালীন এক বিজেপি কর্মি একলাই প্রায় সাড়ে তিন হাজার ফর্ম সেভেন জমা করেন, সাড়ে তিন হাজার মানুষের ভোট কাটার পরিকল্পনার অঙ্গ, তাঁর বিরুদ্ধে এফ আই আর দায়ের হয়েছে, কর্ণাটকে এটা এই ধরণের ৬ নম্বর এফ আই আর, এবং বলা হচ্ছে কান টানলে মাথা আসার মতন সব তথ্য সামনে আসবে। হ্যাঁ কর্ণাটকে কংগ্রেস সরকার আছে, আছে বলেই এটা সম্ভব হলো, কিন্তু এমন কোন মাথার দিব্যি আছে যে মোদি সরকার পড়বেই না? যদি পড়ে, তাহলে এই মামলাগুলো উঠবে, কেঁচো খুঁজতে খুঁজতে কেউটে সাপেদের খোঁজ মিলবেই। তাই এক অজানা ভয় তাড়া করছে আমলাদের, মহারাষ্ট্রের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার চিঠি দিয়েছেন, এইসব ভুল শুধরানোর জন্য তিনি ইসিআই নেট এর অ্যাকসেস দাবী করেছেন, উড়িষ্যার চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার ভলেন্টারি রিটায়ারমেন্ট নিয়ে নিয়েছেন, আমাদের বাংলাতে শোনা যাচ্ছে বিরাট অসন্তোষের কথা, যে যার হাত ধুয়ে ফেলার ব্যবস্থা করছেন। প্রাক্তন চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার আর রোল অবজার্ভারদের দিকে আঙুল উঠেছে। সবমিলিয়ে অবস্থাটা আরেকটা ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের দিকে যাচ্ছে তার খানিকটা আঁচ তো পাওয়াই যাচ্ছে। জরুরি অবস্থা শেষ হয়েছিল, বিভিন্ন বাড়াবাড়ির অভিযোগে কিছু শাস্তি হয়েছিল আর ভবিষ্যতে জরুরি অবস্থা জারী হবার চেষ্টাও যাতে না হয় সেভাবেই আইন সংশোধন হয়েছিল। কিন্তু এবারে এক নতুন পদ্ধতি দেখা গেল, জরুরি অবস্থার ঘোষণা না করেই এক অঘোষিত জরুরি অবস্থা নামিয়ে এনে আমাদের গণতান্ত্রিক কাঠামোটাকেই ভেঙে খানখান করার চেষ্টা করা হল, কিন্তু সেই প্রচেষ্টা আজ প্রতিরোধের মুখে, সেই প্রতিরোধ বাড়ছে, ছড়াচ্ছে, জ্ঞানেশ কুমারকে যে সরতে হবেই তা নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই, প্রশ্ন হল তারপর কী? এস আই আর বাতিল হবে? হলে কি অবৈধ নির্বাচন বাতিল হবে? আমরা কি দেশে এক ন্যুরেমবার্গ ট্রায়াল দেখতে পাবো, সেক্ষেত্রে আমার একটা সাজেশন আছে, সেই ষড়যন্ত্রীদের বিচার হোক যন্তরমন্তরে, নাম হোক যন্তরমন্তর ট্রায়াল, প্রকাশ্যে আনা হোক প্রত্যেক ষড়যন্ত্রকারীদের, যারা মানুষের ভোট কেড়ে নিতে চেয়েছিল তাদের দেখুক মানুষ, আর বিচারের তার কাছেই এক খোলা জেলখানায় রাখা হোক সেই অপরাধীদের, হ্যাঁ তাদের ভোট দেবার অধিকার কেড়ে নেওয়া হোক।