Перейти к содержимому

আফ্রিকা কবিতার বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর | ৩ ও ৫ নম্বর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Class 10 | মাধ্যমিক 2027

@EducationYT9

0:00 / 0:00

আফ্রিকা কবিতার বিশ্লেষণধর্মী প্রশ্ন উত্তর | ৩ ও ৫ নম্বর | রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Class 10 | মাধ্যমিক 2027

39 просмотров · 2 нед. назад
@EducationYT9
78 подписчиков
39 просмотров · 2 нед. назад
Class 10 বাংলা - ‘আফ্রিকা’ কবিতা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ৩ নম্বর ও ৫ নম্বরের বড় প্রশ্ন উত্তর 📚 🔹 ৩ নম্বরের প্রশ্নোত্তর: ১. “হায় ছায়াবৃতা” – আফ্রিকাকে ‘ছায়াবৃতা’ বলা হয়েছে কেন? উত্তর: সৃষ্টির আদিলগ্নে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আফ্রিকা ঘন ও দুর্ভেদ্য অরণ্যানীতে আচ্ছাদিত হয়ে পড়ে। বনস্পতির নিবিড় পাহারায় সূর্যের আলো ঠিকমতো প্রবেশ করত না। এই সূর্যালোকহীন, অন্ধকারাচ্ছন্ন ও রহস্যময় পরিবেশের জন্যই কবি আফ্রিকাকে ‘ছায়াবৃতা’ বলেছেন। ২. “অপরিচিত ছিল তোমার মানবরূপ” – কীভাবে অপরিচিত ছিল? উত্তর: ঘন অরণ্য ও প্রাকৃতিক দুর্গমতার কারণে সভ্য জগৎ আফ্রিকার আসল রূপ জানত না। সভ্য দেশগুলির ‘উপেক্ষার আবিল দৃষ্টি’ অর্থাৎ অবজ্ঞাপূর্ণ দৃষ্টিভঙ্গির কারণে আফ্রিকার মানুষদের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতি ‘কালো ঘোমটার নীচে’ ঢাকা পড়ে ছিল। ৩. “এল মানুষ-ধরার দল” – কাদের বোঝানো হয়েছে? স্বরূপ কেমন? উত্তর: ইউরোপীয় সাম্রাজ্যলোভী ও ঔপনিবেশিক শক্তিদের বোঝানো হয়েছে। তাদের স্বরূপ ছিল নির্মম ও অমানবিক। তারা সভ্যতার অহংকারে অন্ধ ছিল, লোহার হাতকড়ি নিয়ে আফ্রিকার মানুষদের দাসে পরিণত করতে এসেছিল। কবির ভাষায়, তাদের নখ নেকড়ের চেয়েও তীক্ষ্ণ ছিল। 🔹 ৫ নম্বরের প্রশ্নোত্তর: ১. ‘তাঁর সেই অধৈর্যে ঘন-ঘন মাথা নাড়ার দিনে’- ‘তাঁর’ কে? সেই দিন কী হয়েছিল? উত্তর: ‘তাঁর’ বলতে বিশ্বচরাচরের আদি স্রষ্টাকে বোঝানো হয়েছে। সেই দিন: স্রষ্টা যখন পৃথিবী সৃষ্টি করছিলেন, তখন তিনি নিজের সৃষ্টির প্রতি সন্তুষ্ট হতে পারছিলেন না। অতৃপ্তি থেকে বারবার সৃষ্টিকে ভেঙে গড়ছিলেন। সেই অধৈর্যের দিনেই রুদ্র সমুদ্রের বাহু প্রাচ্য ধরিত্রী থেকে আফ্রিকাকে ছিনিয়ে নেয়। এভাবেই জন্ম নেয় আফ্রিকা মহাদেশ, যাকে প্রকৃতি বনস্পতির নিবিড় পাহারায় বন্দি করে রাখে। ২. ‘দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে’- ‘মানহারা মানবী’ কে? তার দ্বারে কেন দাঁড়াতে বলা হয়েছে? উত্তর: ‘মানহারা মানবী’ হলো সাম্রাজ্যলোভী শক্তিদের দ্বারা লাঞ্ছিতা ও শোষিতা আফ্রিকা। কারণ: একদিকে আফ্রিকায় রক্তগঙ্গা বইছে, অন্যদিকে ইউরোপে মন্দিরে দয়াময় দেবতার নামে পূজার ঘণ্টা বাজছে। এই চরম বৈপরীত্য ও অমানবিকতার প্রেক্ষাপটে কবি যুগান্তের কবিকে আহ্বান জানিয়েছেন, তিনি যেন সভ্য সমাজের হয়ে অপমানিতা আফ্রিকার দ্বারে দাঁড়িয়ে ‘ক্ষমা করো’ বলে প্রার্থনা করেন। এসো যুগান্তের কবি, আসন্ন সন্ধ্যার শেষ রশ্মিপাতে দাঁড়াও ওই মানহারা মানবীর দ্বারে; বলো 'ক্ষমা করো' মাধ্যমিক ২০২৭ এর জন্য 100% কমন! subscribe Like Comment Share Plz 🙏